বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর ১০ বছর বয়সী শিশু জিম খাতুন থাকত তার নানার বাড়িতে। সেখান থেকেই স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশোনা করছিল সে। গত ৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে স্কুলে যায় জিম এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। কিন্তু সেই যাত্রাই যেন তার জীবনের সবচেয়ে ভয়াবহ দিনে পরিণত হয়।
দিন পেরিয়ে সন্ধ্যা, তারপর রাত তবুও জিম আর বাড়ি ফেরেনি। উদ্বিগ্ন পরিবার ও এলাকাবাসী চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে, কিন্তু কোথাও তার কোনো সন্ধান মেলে না।
একপর্যায়ে সন্দেহ ঘনীভূত হয় স্কুলকে ঘিরে। পরিবারের সদস্যরা স্কুলের পিয়ন হামিদুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রথমে বলেন, জিমকে তিনি দেখেননি এবং স্কুলেও কেউ নেই। ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন শেখান উপস্থিত হন। এরপর স্থানীয়রা পিয়নের কাছ থেকে চাবি চাইলে তার আচরণ সন্দেহ হয়। এক পর্যায়ে স্থানীয়রা তার সাথে ধস্তাধস্তি করে চাবি নিয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করেন। স্কুলের তৃতীয় তলার একটি কক্ষ খুলতেই সামনে আসে এক ভ/য়ংক/র দৃশ্য অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে ছোট্ট জিম, তার মুখ টেপ দিয়ে প্যাঁচানো।
যে স্কুলে জ্ঞান অর্জনের কথা, সেই স্কুলের পিয়ন হামিদুল ইসলাম ধ/র্ষ/ণ করলো নিষ্পাপ শিশুটিকে। এমন ঘটনার পর সত্যিই ভাষা হারিয়ে যায়।প্রশ্ন একটাই এই দেশে মেয়ে হয়ে জন্ম নেওয়াটা কি তবে অপরাধ? ঘটনাটি ঘটেছে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ছত্রগাছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |